শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন: কার্য উপদেষ্টাসহ ৫ সংসদীয় কমিটি গঠন, পর্যালোচনায় আসবে ১৩৩ অধ্যাদেশ ধামরাইয়ে জরাজীর্ণ মিটারে বারবার আগুন: নতুন সংযোগে পল্লী বিদ্যুতের ‘গড়িমসি’, আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা রাষ্ট্রপতির পরস্পরবিরোধী বক্তব্য ও নৈতিকতা: পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল রাজনৈতিক অঙ্গন ইরানে সরকার পতন সম্ভব নয়: ইসরায়েলের ‘অসহায়’ স্বীকারোক্তি হরমুজ প্রণালিতে ৩ জাহাজে ভয়াবহ হামলা: একটিতে আগুন, নাবিকদের উদ্ধার সালথায় আওয়ামী আমলের সারের ডিলার বাতিলের দাবিতে উত্তাল মানববন্ধন ঝুঁকিপূর্ণ মিটারে অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্ক: ধামরাইয়ে নতুন সংযোগ দিতে পল্লী বিদ্যুতের গড়িমসি ও মালিকপক্ষের অসহযোগিতার অভিযোগ জমে উঠেছে ইসলামপুর ঈদের বাজার, খুশি ব্যবসায়ীরা ॥

ইন্দোনেশিয়া-শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ডে বন্যায় মৃতের সংখ্যা ১৮০০ ছুঁইছুঁই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, একুশের কণ্ঠ:: এশিয়ার তিন দেশ ইন্দোনেশিয়া-শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ডে স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা প্রায় ১ হাজার ৮০০ জনে পৌঁছেছে। অতিবৃষ্টির কারণে দেশগুলোতে উদ্ধার অভিযান ব্যহত হওয়ায় প্রকৃত মৃতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা শনিবার (৬ ডিসেম্বর) জানিয়েছে, ইন্দোনেশিয়ায় এখন পর্যন্ত ৮৬৭ জন নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ আছেন আরও ৫২১ জন। এছাড়া বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় ৮ লাখ মানুষ। দেশটির আচেহ প্রদেশের সুমাত্রা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

শ্রীলঙ্কায় বন্যা ও ভূমিধসে ৬০৭ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে দেশটির সরকার। নিখোঁজ আছেন ২১৪ জন। তারাও নিহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট কুমারা দেশনায়ক এটিকে দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং প্রাকৃতিক বিপর্যয় হিসেবে অভিহিত করেছেন।

অপরদিকে, বন্যা থাইল্যান্ডে কেড়ে নিয়েছে ২৭৬ জনের প্রাণ। এছাড়া মালয়েশিয়া ও ভিয়েতনামে দুজন করে নিহত হয়েছেন।

ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশের মানুষ এখনো প্রচণ্ড দুর্ভোগে আছেন। আজ শনিবার পর্যন্ত সেখানে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

আচেহ-র গভর্নর মুজাকির মানাফ জানিয়েছেন, কোমর সমান কাদার নিচে এখনো মৃতদেহের সন্ধান করছেন তারা। অনেক দুর্গম এলাকার মানুষের খাবার ফুরিয়ে এসেছে। শঙ্কা দেখা দিয়েছে, ত্রাণ সামগ্রী না পৌঁছালে সেখানকার মানুষকে না খেয়ে থাকতে হবে। সেসব অঞ্চলে উদ্ধারকারীরা এখনো যেতে পারেননি।

তিনি বলেন, মানুষ বন্যায় নয়, এখন না খেয়ে মারা যাচ্ছেন।

আচেহর তামিয়াং অঞ্চলের একাধিক গ্রাম ভূমিধস ও বন্যায় পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শ্রীলঙ্কার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (ডিএমসি) বলেছে, ভূমিধস ও বন্যায় ৭১ হাজার বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যারমধ্যে ৫ হাজার বাড়ি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে আরও বৃষ্টিপাত হতে পারে এমন আশঙ্কায় নতুন করে ভূমিধসের শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সূত্র: আলজাজিরা

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com